• ৫ চৈত্র ১৪৩২, বৃহস্পতি ১৯ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Manish Shukla

কলকাতা

মণীশ খুনে গ্রেপ্তার শার্পশুটার

অবশেষে পুলিশের জালে বিজেপি নেতা মণীশ শুক্লা খুনে অভিযুক্ত শার্প শুটার অনীশ ঠাকুর। তামিলনাড়ুতে একটি ডাকাতি ঘটনায় তাঁকে আটক করে সে রাজ্যের পুলিশ। লালবাজার সূত্রে খবর, অনীশকে রাজ্যে আনতে সিআইডি টিম যাচ্ছে।সূত্রের খবর, মণীশ শুক্লাকে হত্যার পর দেশের দক্ষিণের রাজ্যগুলোতে গা ঢাকা দীয়েছিল অনীশ। শেষমেশ তামিলনাড়ুতে দুষ্কৃতীদের একটি গ্যাংয়ে শামিল হয়ে যায় সে। সেখানেই একটি ডাকাতির চেষ্টা চালায় ওই সমাজবিরোধীরা। কিন্তু এবার আর ভাগ্য সঙ্গ দেয়নি অনীশের। পুলিশের জালে ধরা পড়ে সে। পরিচয় যাচাই করে তামিলনাড়ু পুলিশ জানতে পারে যে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি নেতা খুনের ঘটনায় অন্যতম অভিযুক্ত অনীশ। তারপরই বিষয়টি জানানো হয় লালবাজারকে। ধৃতকে ট্রানজিট রিমান্ডে রাজ্যে আনতে কলকাতা থেকে আজই সিআইডি টিম তামিলনাড়ু যাচ্ছে বলে খবর।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২১
রাজ্য

মণীশ শুক্লা খুনে গ্রেফতার আরও এক অভিযুক্ত

মণীশ শুক্লা খুনে আরও একজনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়েতে তল্লাশি চালিয়ে নাসির আলি মণ্ডল নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়। জানা গিয়েছে, সে আসলে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসন্তীর বাসিন্দা। হত্যাকাণ্ডের পর গা ঢাকা দিয়েছিল সে। আজ তাকে আদালতে পেশ করা হবে। এ নিয়ে মণীশ শুক্লা খুনে মোট ১০ জন গ্রেপ্তার হল। আরও পড়ুন ঃ বীরভূম থেকে গ্রেফতার এক জঙ্গি প্রসঙ্গত, মাস দুই আগে এক রবিবার টিটাগড়ে প্রকাশ্য রাস্তায় দুষ্কৃতীদের গুলিতে ঝাঁজরা হয়ে গিয়েছিলেন বিজেপি কাউন্সিলর মণীশ শুক্লা। তদন্তে নেমে বহু রাঘব বোয়ালের জড়িত থাকার কথা জানতে পারেন গোয়েন্দা আধিকারিকরা। সেইমতো তাঁদের গ্রেপ্তারির প্রক্রিয়া শুরু হয়। জানা যায়, ভিনরাজ্যের সুপারি কিলারদের দিয়ে মনীশকে খুন করানোর চক্রান্ত হয় এবং সেইমতোই অপারেশন হয়। এই ভিনরাজ্যের যোগসূত্র খুঁজতে বিহারের যান তদন্তকারীদের একটি দল। পাটনার জেলে বন্দি এক কুখ্যাত দুষ্কৃতী মণীশ হত্যার ব্লু প্রিন্ট ছকে দিয়েছিল বলে তাঁদের কাছে খবর ছিল। সেই সূত্র মারফতই এদিন গ্রেফতার হলেন নাসির।

ডিসেম্বর ১১, ২০২০
রাজ্য

বিজেপি নেতা মনীশ শুক্লা খুনের ঘটনায় ধৃত ২ শার্প শুটার

টিটাগড়ের বিজেপি নেতা মনীশ শুক্লা খুনের ঘটনায় দুই শার্প শুটারকে পাঞ্জাব থেকে গ্রেফতার করল সিআইডি। অভিযুক্তদের ট্রানজিট রিমান্ডে কলকাতায় আনার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ধৃতদের নাম রোশন রাই, সুদীপ যাদব। প্রসঙ্গত , ওই খুনের ঘটনায় আগেই খুররম, গুলাব শেখকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তাদের জেরা করার পর সিআইডি দাবি করে , পাটনার জেলে বন্দী সুবোধ সিং এই খুনের ঘটনায় সরাসরি জড়িত। আরও পড়ুন ঃ তারাপীঠে মহাসমারোহে পালিত হল তারা মায়ের আবির্ভাব তিথি জেলে বসেই সে তৈরি করে এই খুনের ব্লু-প্রিন্ট । সুবোধ রায় নামে অপর অভিযুক্তকেও পাকড়াও করা হয়। এরপর সুবো্ধকে জেরা করে প্রচুর তথ্য জোগাড় করেন তারা। এরপর তাদের খোঁজে বিহারে রীতিমতো ঘাঁটি গেড়েছিলেন তদন্তকারীরা । সেখান থেকেই সূত্র মেলে । তারপর এদিন তাদের পাঞ্জাব থেকে গ্রেফতার করা হয়।

অক্টোবর ৩০, ২০২০
রাজ্য

মণীশ শুক্লা হত্যাকাণ্ডে সিবিআই তদন্তের দাবিতে হাল্লাবোল মিছিল বিজেপি' র

মণীশ শুক্লা হত্যাকাণ্ডে সিবিআই তদন্তের দাবিতে শুক্রবার হাল্লাবোল মিছিল করল বিজেপি। টিটাগড় থেকে ব্যারাকপুরের চিড়িয়ামোড় পর্যন্ত এদিন এই মিছিল আয়োজন করা হয়। মিছিলে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি মুকুল রায়, সাংসদ লকেট চট্টো্পাধ্যয়, সাংসদ অর্জুন সিং , বিধায়ক সব্যসাচী দত্ত সহ আরও অনেকে। কৈলাস বিজয়বর্গীয় সাংবাদিকদের বলেন, সিআইডিকে দিয়ে এই তদন্ত করলে কো্নওদিনও ্প্রকৃত দোষী ধরা পড়বে না। তাই সিবিআইকে দিয়ে এই তদন্ত করাতে হবে। মণীশের পরিবার ক্রমাগত হুমকির মুখে পড়ছে। আরও পড়ুনঃ বলবিন্দরকে মুক্তি না দিলে আগামীকাল নবান্নের সামনে অনশনে বসবেন স্ত্রী ও পুত্র অন্যদিকে , টিটাগড়ের বিজেপি কাউন্সিলর মণীশ শুক্লা খুনের তদন্তে এখনও সিআইডির উপরই ভরসা রাখছে কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চে তদন্তের বিস্তারিত রিপোর্ট জমা করেন সিআইডি আধিকারিকরা। সেই রিপোর্ট দেখে বিচারপতিরা জানান যে আপাতত রাজ্য গোয়েন্দা সংস্থার তদন্ত চলুক। পরে এই তদন্তে কোনও ত্রুটি দেখা গেলে সিবিআই তদন্তের কথা ভাবা যাবে। আগামী ১০ নভেম্বর মামলাটির পরবর্তী শুনানি।

অক্টোবর ১৬, ২০২০
রাজ্য

মণীশ শুক্লা খুনের ঘটনায় ব্যারাকপুর ও টিটাগড় পুরসভার প্রশাসককে জেরা সিআইডি ’র

বিজেপি নেতা মণীশ শুক্লা খুনের ঘটনায় এবার দুই প্রশাসককে জেরা করল সিআইডি। বৃহস্পতিবার ব্যারাকপুর পুরসভার প্রশাসক উত্তম দাস এবং টিটাগড় পুরসভার প্রশাসক প্রশান্ত চৌধুরিকে তলব করে সিআইডি। সেই অনুযায়ী তদন্তকারীদের সঙ্গে দেখা করেন তাঁরা। সূত্রের খবর, মণীশ শুক্লা খুনের সময় ঠিক কোথায় ছিলেন তাঁরা সেই সংক্রান্ত খোঁজখবর নেয় সিআইডি। মাত্র ১০ মিনিট জেরা করেই তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। সিআইডি জেরার পর তাঁরা দাবি করেন, বিজেপি নেতা খুনে কোনওভাবেই যুক্ত নই। তবে বিজেপি পরিকল্পনামাফিক কালিমালিপ্ত করতে চাইছে। তাই নাম এফআইআরে রাখা হয়েছে। সে কারণে সিআইডি তলব করেছিল। বৃহস্পতিবার সিআইডির সঙ্গে দেখা করেছি। তদন্তের স্বার্থে ভবিষ্যতে আবারও সিআইডি তলব করলে দেখা করব। আরও পড়ুনঃ একদিনে রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত ৩,৬৭৭ জন প্রসঙ্গত, মণীশ শুক্লার বাবার দায়ের করা এফআইআরে নাম রয়েছে প্রশাসক উত্তম দাস এবং প্রশান্ত চৌধুরির। সেইমতো এদিন তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়। এদিকে তৃণমূলের দুই প্রশাসককে জেরার পরেও বারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিংয়ের দাবি, মণীশ শুক্লা হত্যাকাণ্ডের তদন্তে ব্যারাকপুর পুরসভার প্রশাসক উত্তম দাস এবং টিটাগড় পুরসভার প্রশাসক প্রশান্ত চৌধুরিকে সিআইডির তলব আইওয়াশ ছাড়া কিছুই নয়।

অক্টোবর ১৫, ২০২০
কলকাতা

মণীশ শুক্লা খুনের ঘটনায় সিআইডির কাছে রিপোর্ট তলব হাইকোর্টের

মণীশ শুক্লা খুনের ঘটনায় এবার সিআইডির কাছে তদন্তের অগ্রগতি সংক্রান্ত রিপোর্ট তলব করল কলকাতা হাইকোর্ট। সেই মামলার শুনানিতে মঙ্গলবার রাজ্য গোয়েন্দা সংস্থা তথা বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ এই মন্তব্য করেছেন। জানা গিয়েছে, ১৬ অক্টোবরের মধ্যে ওই রিপোর্ট জমা দিতে হবে। উল্লেখ্য , এই ঘটনায় সিবিআই তদন্ত চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন বিজেপি নেত্রী তথা আইনজীবী প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়াল। আরও পড়ুনঃ বেলেঘাটা বিস্ফোরণ কাণ্ডে এনআইএ তদন্তের দাবি বিজেপির তবে মণীশ শুক্লার পরিবারের বদলে প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়াল কেন ঘটনা সিবিআই তদন্তের দাবিতে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন শুনানিতে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে রাজ্যের অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল। এজি অভ্রতোষ মজুমদারের দাবি , প্রিয়াঙ্কাদেবীর এ নিয়ে মামলা করার এক্তিয়ারই নেই। যদিও প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়ালের পালটা দাবি, মণীশ নিজে একজন আইনজীবী ছিলেন। তাছাড়া খুনের ঘটনার পর থেকেই আতঙ্কে রয়েছে গোটা পরিবার। পুলিশ তাদের লাগাতার হুমকি দিচ্ছে। সে কারণে তাঁরা আদালতের দ্বারস্থ হতে ভয় পাচ্ছেন। তাই একজন আইনজীবী হিসেবে এই ঘটনায় তিনি পরিবারের হয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন।

অক্টোবর ১৩, ২০২০
কলকাতা

মণীশ শুক্লা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ফের সিবিআই তদন্তের দাবিতে রাজ্যপালের দ্বারস্থ বিজেপি

মণীশ শুক্লা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ফের রাজ্যপালের কাছে গিয়ে সিবিআই তদন্তের দাবি জানাল তিন সদস্যের বিজেপির একটি প্রতিনিধিদল। সেই দলে ছিলেন বিজেপির জাতীয় সহ সভাপতি মুকুল রায় , রাজ্যের সহ সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার , রাজ্য সম্পাদক সব্যসাচী দত্ত। রবিবার তাঁরা রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়কে এই দাবি জানিয়ে চিঠি দেন। রাজ্যপাল তাদের দাবি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন। বিজেপি নেতাদের বক্তব্য, এই খুনের ঘটনার পিছনে রাজ্য সরকারের যে ষড়যন্ত্র রয়েছে , সিবিআই তদন্তের মাধ্যমে তা খুঁজে বের করতে হবে। প্রকৃ্ত দোষীদের শাস্তি দিতে হবে। আরও পড়ুন ঃ বিশ্ববাংলা শারদ সম্মান-২০২০ র জন্য নির্দেশিকা জারি রাজ্যের রাজ্যপালকে লেখা চিঠিতে বিজেপির অভিযোগ , সিআইডি যে তদন্ত করছে , সেখানে এই খুনের ঘটনার সঙ্গে প্রকৃ্ত কারা যুক্ত , তা উঠে আসছে না। এছাড়াও তারা রাজ্যপালকে লেখা চিঠিতে অভিযোগ করেন, দেবেন্দ্রনাথ রায় সহ আমাদের একশজনের বেশি সদস্য শাসকদলের হামলার জেরে খুন হয়েছেন। বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি মুকুল রায় বলেন, রাজ্যপালের হাতে ক্ষমতা নেই সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেওয়ার। আমরা চাই যে তদন্ত হচ্ছে সেটা সঠিক হোক। মণীশ শুক্লার পরিবার যেন বিচার পায়।

অক্টোবর ১১, ২০২০
রাজ্য

মনীশ শুক্লা হত্যার ঘটনায় মোমবাতি মিছিল বিজেপির

বৃহস্পতিবারের নবান্ন অভিযানে পুলিশের লাঠি ও বেগুনি জল দিয়ে দলের কার্যকর্তাদের অসুস্থ করার প্রতিবাদে শুক্রবার মৌ্ন মিছিলের ঘোষণা করে বিজেপি। সেইমতো শুক্রবার বিকেল ৪ টে নাগাদ মুরলীধর সেন লেনের বিজেপির সদর অফিস থেকে গান্ধী মূর্তির পাদদেশ অবধি মৌন মিছিল করেন। এই মিছিলে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ, দলের অন্যতম নেতা সায়ন্তন বসু সহ বহু সমর্থক। পাশাপাশি এদিন ব্যারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রে্র সাংসদ অর্জুন সিংয়ের নেতৃত্বে আর একটি মৌন মিছিল বের হয়। অর্জুনের সঙ্গে ছিলেন বিধায়ক সুনীল সিং, পবন সিং সহ এলাকার নেতৃবর্গ ও সমর্থক। মনীশ শুক্লার হত্যার প্রতিবাদে মোমবাতি নিয়ে ছিল এই মিছিল। অর্জুন সিং জানান, সিআইডি নয় তাঁরা সিবিআই তদন্ত চান। এ বিষয়ে তাঁরা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র দপ্তরেও অনুরোধ জানাবেন। কারণ, সিআইডি রাঘব - বোয়া্লদের ছেড়ে চুনোপুটিদের ধরছে। আরও পড়ুনঃ মণীশ শুক্লাকে হত্যার জন্য ভাড়া করা হয়েছিল ভিন রাজ্যের সুপারি কিলার অন্যদিকে, বৃহস্পতিবারের নবান্ন অভিযানে মহামারী প্রতিরোধ আইন ভঙ্গ করায় দিলীপ ঘোষ, মুকুল রায়, লকেট চট্টোপাধ্যায়, জয়প্রকাশ মজুমদার সহ রাজ্য বিজেপি নেতাদের নামে মামলা দায়ের হয়েছে। দিলীপ ঘোষ এই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে বলেন, সরকার ভয় পেয়ে তাদের নামে মামলা দায়ের করেছে।

অক্টোবর ০৯, ২০২০
রাজ্য

মণীশ শুক্লাকে হত্যার জন্য ভাড়া করা হয়েছিল ভিন রাজ্যের সুপারি কিলার

টিটাগড়ের বিজেপি কাউন্সিলর মণীশ শুক্লা খুনের ঘটনায় ধৃতদের জেরা করে জানা গেল, স্থানীয় এক প্রভাবশালী নেতা এই ঘটনার পিছনে জড়িয়ে আছে। মণীশ শুক্লাকে হত্যা করার জন্য ভিনরাজ্য থেকে সুপারি কিলারদের ভাড়া করে আনা হয়েছিল বলে জানা যাচ্ছে। পাটনার সেন্ট্রাল জেলে বন্দি কুখ্যাত এক দুষ্কৃতীর সাহায্য নেওয়া হয়েছিল আগ্নেয়াস্ত্র এবং সুপারি কিলার ভাড়া করার জন্য। এর জন্য দুবাই থেকে অর্থও এসেছিল। এই দুষ্কৃতীকে কাজের জন্য টাকা দেওয়ার ভার ছিল খুররমের উপর। সেই টাকা আবার দুবাই থেকে এসেছিল। অন্যতম মূল অভিযুক্ত ব্যবসায়ী মহম্মদ খুররম খান এবং তৃণমূল নেতা ঘনিষ্ঠ সুবোধ যাদবকে জেরা করে এরকম অনেক তথ্যই হাতে এসেছে বলে দাবি তদন্তকারীদের। আরও পড়ুন ঃ শহিদ জওয়ানের পরিবারকে আর্থিক সাহায্য রাজ্যপালের উল্লেখ্য , খুররমের বাবার খুনের ঘটনায় মণীশের নাম উঠে আসা থেকেই প্রতিশোধস্পৃহার সূত্রপাত। সেই মূলত মণীশকে খুনের পরিকল্পনা করে। স্থানীয় প্রভাবশালী ওই রাজনৈ্তিক নেতা মনীশ শুক্লার প্রতি খুররমের এই ক্ষোভকে কাজে লাগায়।এমনই অনুমান তদন্তকারীদের। যদিও এই নেতার পরিচয় এখনও বিশদে জানতে পারেননি তদন্তকারীরা। এও জানা গিয়েছে যে এই হত্যাকাণ্ডের জন্য যে সুপারি কিলারদের ভাড়া করা হয়েছিল, তারা সকলে ভিনরাজ্যের, যাদের হদিশ এখনও মেলেনি। প্রসঙ্গত, এই খুনের ঘটনায় এখনও পর্যন্ত চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে সিআইডি। বাকিদের খোঁজে তল্লাশি চলছে।

অক্টোবর ০৯, ২০২০
রাজ্য

মণীশ শুক্লা খুনে গ্রেফতার আরও ১

বিজেপি নেতা তথা আইনজীবী মণীশ শুক্লা খুনের ঘটনায় সুবোধ যাদব নামে আরও একজনকে গ্রেফতার করেছে সিআইডি। এই হত্যাকাণ্ডের সময় গোটা ঘটনা সে পরিচালনা করেছে বলে খবর। এই সুবোধ যাদব ব্যারাকপুর পুরসভার প্রশাসক উত্তম দাসের ঘনিষ্ঠ বলে দাবি বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিংয়ের। পুলিশ সূত্রে খবর, এই সুবোধ ব্যারাকপুরের একটি নির্মীয়মান বহুতলে ৬ জন সুপারি কিলারকে গত ১ মাস ধরে আশ্রয় দিয়েছিল।এর আগে এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে নাজির খান নামে একজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এই নাজির খানের নামে পুলিশের কাছে অভিযোগ জানিয়েছিলেন নিহত মণীশের বাবা। আরও পড়ুনঃ স্টাফ স্পেশাল ট্রেনে ওঠায় যাত্রী-পুলিশ সংঘর্ষ , আহত ২ পুলিশ সূত্রে খবর, সুপারি কিলারদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল এই নাজির খানই। সে নিজেও গুলি চালিয়েছিল বলে সন্দেহ পুলিশের।এখনও পর্যন্ত এই হত্যাকাণ্ডে মোট ৪ জনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। প্রথম যে দুজনকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ, তার হল খুররম ও গুলাব শেখ।পুলিশ সূত্রে খবর, মণীশ শুক্লার ওপর নজরদারি চালাচ্ছিল নাজির খান। সে সুপারি কিলারদের সঙ্গে টাকার হিসেব নিয়ে কথাও বলেছিল বলে মনে করছে পুলিশ। নাজিরকে জেরা করেই আরও তথ্য উঠে্ আসবে বলে মনে করছে সিআইডি।

অক্টোবর ০৮, ২০২০
রাজ্য

খুনের আগে মনীশের উপর টিটাগড়ের একটি ফ্ল্যাট থেকে চলছিল নজরদারি

বিজেপি নেতা মনীশ শুক্লা খুনের ঘটনায় নয়া মোড়। মঙ্গলবার রাতেই ধৃত নাজির খানকে নিয়ে ক্যানিংয়ে যান তদন্তকারীরা। সেখানেই আটক করা হয় দুজনকে। মঙ্গলবারই নাজির খানকে গ্রেফতার করে সিআইডি। সবমিলিয়ে মনীশ শুক্লা খুনে পুলিশ গ্রেফতার করেছে মোট ৩ জনকে। আটক ২। এদিকে অবশেষে খুনীদের ছবি পাওয়া গেল টিটাগড়ের টাটা গেটের কাছে একটি পোষ্টে লাগানো সিসিটিভি ফুটেজ থেকে। ওই সিসিটিভি ফুটেজে অনেকটাই পরিষ্কার হয়েছে দুটি বাইকে ৪ দুস্কৃতীর ছবি। সিআইডি ওই ছবি খতিয়ে দেখে খুনীদের চিহ্নিত করার চেষ্টা চালাচ্ছে। আরও পড়ুনঃ পথশ্রী প্রকল্পের টেন্ডার নিয়ে যেন গন্ডগোল না হয়ঃ মুখ্যমন্ত্রী জানা গিয়েছে, ব্যারাকপুর পুরসভার ৪ নং ওয়ার্ডের একটি নির্মীয়মান বহুতলে বসেই এই খুনের ছক কষেছিল দুষ্কৃতীরা।ওই বহুতলের তিনতলার একটি ঘরে বসেই চলে রেইকি। যেখান থেকে রোজ মনীশ শুক্লার গতিবিধির উপর নজর রাখা হত। সিআইডি এবং পুলিশ মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১ ট নাগাদ ওই বহুতলের একটি ফ্ল্যাটে আসে। তিন তলার ওই ঘরের তালা বন্ধ দেখে সন্দেহ হয় তাদের।এরপর অভিযুক্তের মোবাইলে ফোন করতেই মোবাইল বেজে ওঠে ঘরের ভিতরে। সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ঘরের তালা ভেঙে একজনকে গ্রেফতার করে। ধৃত যুবকের নাম তদন্তের স্বার্থে আপাতত গোপন রাখা হয়েছে। তবে কার মাধ্যমে অভিযুক্তরা এই ফ্ল্যাটে আশ্রয় নেওয়ার সুযোগ পেয়েছিল তার খোঁজ শুরু করেছে সিআইডি।

অক্টোবর ০৭, ২০২০
রাজ্য

মণীশ শুক্লা খুনে ধৃতদের ১৪ দিনের সিআইডি হেফাজত

বিজেপি নেতা মণীশ শুক্লা খুনের ঘটনায় ধৃত ২ জনের ১৪ দিনের সিআইডি হেফাজতের নির্দেশ দিল ব্যারাকপুর আদালত। সোমবার রাতেই মণীশ শুক্লা হত্যাকাণ্ডে জড়িত অভিযোগে মহম্মদ খুররম এবং গুলাব শেখকে আটক করা হয়েছিল। রাতভর জেরার পর মঙ্গলবার সকালে এই দুজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এদিন দুপুরে এদের ব্যারাকপুর মহকুমা আদালতে তোলা হলে ১৪ দিনের সিআইডি হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়। প্রসঙ্গত,রবিবার রাত ৮ টা নাগাদ টিটাগড়ের বিজেপি নেতা মণীশ শুক্লাকে গুলি করে হত্যা করে আততায়ীরা।ময়নাতদন্তের রিপোর্টে জানা গিয়েছে, মণীশের মুখে এবং বুকে ৭টি গুলি লেগেছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, ৭এমএম পিস্তল থেকে গুলি করা হয়েছে। তদন্তকারীদের সন্দেহ ৭এমএম পিস্তল থেকে গুলি করা হয়েছে। আরও পড়ুনঃ মণীশ শুক্লা হত্যাকাণ্ডে ধৃত ২ সো্মবার দুপুরেই এই ঘটনার তদন্তভা্র নেয় সিআইডি। মহম্মদ খুররম এবং গুলাব শেখকে সো্মবার সন্ধ্যেবেলায় আটক করা হয়। এই দুজনের নামই মণীশের বাবা চন্দ্রমণি শুক্লার দায়ের করা এফআইআরে ছিল। এরা ছাড়াও আরও পাঁচজনের নাম রয়েছে এফআইআরে।টিটাগড় পুরসভার প্রাক্তন পুরপ্রধান প্রশান্ত চৌধুরী, ব্যারাকপুর পুরসভার বিদায়ী পুরপ্রধান উত্তম দাসের নাম এফআইআরে রয়েছে। যদিও দুই বিদায়ী চেয়ারম্যানই নিজেদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁদের বক্তব্য, ইচ্ছাকৃত ভাবে এই খুনের ঘটনাকে রাজনৈতিক মোড়ক দেওয়া হচ্ছে।

অক্টোবর ০৬, ২০২০
রাজ্য

মণীশ শুক্লা হত্যাকাণ্ডে ধৃত ২

বিজেপি নেতা মণীশ শুক্লা খুনের ঘটনায় ২ জনকে গ্রেফতার করল সিআইডি। ধৃতদের নাম মহম্মদ খুররম ও গুলাব শেখ। পিতৃহত্যার বদলা নিতেই নাকি মণীশকে নৃশংসভাবে খুন করার চক্রান্ত করেছিল খুররম। অন্তত প্রাথমিকভাবে পুলিশের ইঙ্গিত এমনই। এই দুজনকে বিস্তারিতভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করে হত্যাকাণ্ডের দ্রুত কিনারা করতে মরিয়া তদন্তকারীরা।প্রসঙ্গত, কয়েক বছর আগে খুররমের বাবা খুন হন। সেই খুনের ঘটনায় জড়িয়ে যায় মণীশের নাম। তারপর থেকে মণীশের সঙ্গে খুররমের শত্রুতা লেগেই রয়েছে। এর আগে বেশ কয়েকবার মণীশের উপর হামলা হয়েছে। কিন্তু বরাত জোরে প্রাণে বেঁচে গিয়েছিলেন তিনি।কিন্তু এবার আর রক্ষা পেলেন না। তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, নিখুঁত পরিকল্পনা মণীশ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে। রীতিমত একমাস ধরে বিজেপি নেতার গতিবিধিতে নজর রেখেছিল শত্রুরা। সশস্ত্র নিরাপত্তারক্ষীরা ছুটিতে যেতেই চূড়ান্ত ছক কষা হয়। সেইমতো অপারেশন চলে রবিবার সন্ধেবেলা। প্রায় ১৫টি গুলি মণীশের শরীরে ফুঁড়ে বেরিয়ে গিয়েছে। যে বাইক চড়ে দুষ্কৃতীরা এসেছিল, সেগুলোর খোঁজ চলছে। খোঁজ চলছে এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত বাকিদের।

অক্টোবর ০৬, ২০২০
রাজনীতি

টিটাগড়ে খুন বিজেপি নেতা, ১২ ঘণ্টা ব্যারাকপুর বনধের ডাক বিজেপির

ফের বিজেপি নেতা খুন। রবিবার ৪ অক্টোবর রাতে টিটাগড় থানার সামনে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা সাংসদ অর্জুন সিং ঘনিষ্ঠ মণীশ শুক্লাকে গুলি করে হত্যা করে বলে অভিযোগ। এর প্রতিবাদে সোমবার ১২ ঘণ্টা ব্যারাকপুর বনধের ডাক দিয়েছে বিজেপি। কৈলাস বিজয়বর্গীয়, মুকুল রায়রা সোমবার মণীশ শুক্লার বাড়িতেও যাবেন। কৈলাস বিজয়বর্গীয় বলেন, টিটাগড় থানার সামনে এই ঘটনায় পুলিশের উপর আর আস্থা নেই। অনেক দিন ধরেই অর্জুন সিং বলছিলেন ব্যারাকপুরের পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মা, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার অজয় ঠাকুরদের দিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমার ও আমাদের দলের কর্মীদের মেরে ফেলার ষড়যন্ত্র করছেন। অর্জুন-ঘনিষ্ঠ মণীশকে গুলি করে হত্যার ঘটনার সিবিআই তদন্ত দাবি করে বিজয়বর্গীয় বলেন, পুলিশের সন্দেহজনক ভূমিকা খতিয়ে দেখা উচিত। এমন নীচ কাজ করার জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জনগণ ক্ষমা করবে না। উল্লেখ্য, মৃত্যুর আগের দিনও কৃষক সুরক্ষা পদযাত্রায় পা মিলিয়েছিলেন মণীশ। তাঁকে হত্যার ঘটনায় ব্যথিত অর্জুন সিং টুইটে লেখেন, এবার সীমা ছাড়াল। এর ফল ভুগতে হবে তৃণমূলকে।

অক্টোবর ০৫, ২০২০

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

নির্বাচনের টিকিট পেতেই প্রাণভয়ের আশঙ্কা! বিস্ফোরক অভিযোগ প্রাক্তন আইপিএসের

একসময়ের দুঁদে পুলিশ কর্তা, এখন তৃণমূলের প্রার্থী। সেই হুমায়ুন কবীর এবার বিধানসভা নির্বাচনে লড়ছেন ডোমকল কেন্দ্র থেকে। কিন্তু টিকিট পাওয়ার পরই তিনি প্রাণহানির আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। তাঁর অভিযোগ, জেলার একাধিক অপরাধ চক্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কারণে তাঁকে এখন হুমকি দেওয়া হচ্ছে।মুর্শিদাবাদে পৌঁছে তিনি নিরাপত্তার জন্য জেলা পুলিশ সুপারের কাছে আবেদন করেছেন। তাঁর কথায়, পুলিশে চাকরি করার সময় তিনি একাধিক খুনের চক্র ভেঙেছিলেন। সেই সব অপরাধ চক্রের মাথারা এখনও সক্রিয় রয়েছে এবং তাঁকে লক্ষ্য করে হুমকি দিচ্ছে। এই কারণেই তাঁর জীবনের উপর ঝুঁকি রয়েছে বলে তিনি দাবি করেছেন।হুমায়ুন কবীর দীর্ঘদিন মুর্শিদাবাদে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি কান্দিতে দায়িত্বে ছিলেন এবং পরে জেলা পুলিশ সুপার হিসেবেও কাজ করেছেন। ফলে এই জেলার পরিস্থিতি সম্পর্কে তিনি ভালোভাবেই জানেন। কোথায় কোন অপরাধ চক্র সক্রিয়, কারা এর সঙ্গে জড়িত, সেই সব বিষয় তাঁর জানা।তিনি বলেন, দলের নেতৃত্ব তাঁকে এমন একটি জায়গায় প্রার্থী করেছে, যা তাঁর খুব পরিচিত। এই সুযোগ দেওয়ার জন্য তিনি দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। একই সঙ্গে কর্মীদের সক্রিয়ভাবে কাজ করার আহ্বানও জানিয়েছেন।ডোমকল এলাকা বরাবরই স্পর্শকাতর হিসেবে পরিচিত। অতীতে এই এলাকায় নির্বাচন ঘিরে হিংসার একাধিক অভিযোগ উঠেছে। আগের নির্বাচনে এখানেই সবচেয়ে বেশি হিংসার ঘটনা ঘটেছিল বলে জানা যায়। তবে তিনি দাবি করেন, যখন তিনি পুলিশ সুপার ছিলেন, তখন পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে ছিল।এই অবস্থায় এবার নির্বাচনের আগে তাঁর প্রাণহানির আশঙ্কা প্রকাশে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ভোটের আগে ডোমকলের পরিস্থিতি নিয়ে এখন বাড়ছে নজর।

মার্চ ১৮, ২০২৬
রাজ্য

একসঙ্গে দু’টি আসনে লড়াই! হুমায়ুন কবীরের বড় চমক

বিধানসভা নির্বাচনের আগে একের পর এক দল তাদের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করছে। সেই তালিকায় এবার নাম যোগ করল হুমায়ুন কবীরের দল আম জনতা উন্নয়ন। প্রথম দফায় মোট একশো বিরাশি টি আসনে প্রার্থী দেওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি। ইতিমধ্যেই মুর্শিদাবাদ এবং মালদহ জেলার প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।সবচেয়ে বেশি চর্চা হচ্ছে হুমায়ুন কবীরের নিজের সিদ্ধান্ত নিয়ে। তিনি এবার ভরতপুর কেন্দ্র থেকে লড়বেন না। পরিবর্তে তিনি দুটি আসন থেকে ভোটে লড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। একটি রেজিনগর এবং অন্যটি নওদা। এই সিদ্ধান্ত ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠছে। অনেকেই জানতে চাইছেন, তিনি কাকে হারাতে চাইছেন, না কি নিজের জয়ের সম্ভাবনা বাড়াতেই এই কৌশল নিচ্ছেন।সাংবাদিক বৈঠকে হুমায়ুন কবীর জানান, তাঁদের দল একশো বিরাশি টি আসনে প্রার্থী দিচ্ছে। বাকি প্রার্থীদের তালিকা শীঘ্রই প্রকাশ করা হবে। কিছু আসনে অন্য দলের সঙ্গে সমঝোতার কথাও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।এদিকে প্রার্থী তালিকায় একাধিক নতুন নামও রয়েছে। বিভিন্ন জেলার একাধিক আসনে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। কান্দি, বেলডাঙা, রতুয়া, মালতীপুর, বৈষ্ণবনগর, মানিকচক, সুজাপুর, ফরাক্কা, হরিহরপাড়া-সহ একাধিক কেন্দ্রে প্রার্থী দিয়েছে এই দল। ভরতপুরেও নতুন প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে নতুন এই দল কতটা প্রভাব ফেলতে পারবে, তা নিয়ে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে হুমায়ুন কবীরের দুটি আসনে লড়াইয়ের সিদ্ধান্তকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে কৌতূহল আরও বেড়েছে।

মার্চ ১৮, ২০২৬
দেশ

‘সময় নষ্টের চেষ্টা’! আইপ্যাক মামলায় সুপ্রিম কোর্টে তীব্র তর্কে জড়াল রাজ্য ও কেন্দ্র

আইপ্যাক মামলাকে ঘিরে আবারও সুপ্রিম কোর্টে সময় চাইল রাজ্য সরকার। বুধবার বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্র এবং বিচারপতি এন ভি আঞ্জারিয়ার বেঞ্চে রাজ্যের পক্ষ থেকে আইনজীবী কপিল সিব্বল আরও সময়ের আবেদন জানান। তিনি জানান, তাঁরা নিজেদের বক্তব্য জমা দেওয়ার জন্য কিছুটা সময় চান।এই আবেদনের বিরোধিতা করে কেন্দ্রের পক্ষ থেকে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহেতা বলেন, এটি সময় নষ্ট করার চেষ্টা। তিনি অভিযোগ করেন, মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ রয়েছে এবং এতদিন পরেও সময় চাওয়া অস্বাভাবিক। বিচারপতিরাও মনে করিয়ে দেন, এর আগেই রাজ্যকে চার সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছিল।রাজ্যের আইনজীবীরা বলেন, তাঁরা এখনও সম্পূর্ণভাবে নিজেদের বক্তব্য জমা দেওয়ার সুযোগ পাননি। তবে আদালত স্পষ্ট জানায়, বারবার সময় চাওয়া ঠিক নয়।এই মামলায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলে রাজ্য। রাজ্যের দাবি, এই সংস্থা সরাসরি এই ধরনের মামলা করতে পারে না। সংবিধানের নিয়ম অনুযায়ী, এই অধিকার শুধুমাত্র ব্যক্তি বা কোনও বৈধ সংস্থার থাকতে পারে। তাই এই মামলার গ্রহণযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে।অন্যদিকে, আদালতে জমা দেওয়া হলফনামায় তদন্তকারী সংস্থা জানিয়েছে, তল্লাশির সময় সংঘর্ষ এড়াতেই তাদের কাজ থামাতে হয়েছিল। অভিযোগ করা হয়েছে, তল্লাশির সময় বাইরের লোকজন ঢুকে পড়ায় তদন্তে সমস্যা তৈরি হয়।বিচারপতি পর্যবেক্ষণে বলেন, কোনও মুখ্যমন্ত্রীর এইভাবে তদন্ত চলাকালীন ঢুকে পড়া মোটেই ভালো দৃষ্টান্ত নয়। ভবিষ্যতে অন্যরাও একই কাজ করতে পারেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।এর আগে আদালত রাজ্যকে নির্দেশ দিয়েছিল, ওই ঘটনার সমস্ত ভিডিও এবং প্রমাণ সংরক্ষণ করতে। সেই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করার জন্যও সময় দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ফের সময় চাওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।এই মামলার সূত্রপাত হয় কলকাতায় একটি সংস্থার কর্তার বাড়ি ও অফিসে তল্লাশি নিয়ে। সেই তল্লাশিকে ঘিরেই এই আইনি লড়াই শুরু হয়। কেন্দ্রের অভিযোগ, তদন্তে বাধা দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে রাজ্যের দাবি, নির্বাচনের আগে সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ করতেই এই তল্লাশি চালানো হয়েছিল।এই পরিস্থিতিতে আইপ্যাক মামলাকে ঘিরে রাজ্য ও কেন্দ্রের সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে এবং পরবর্তী শুনানির দিকে এখন নজর সবার।

মার্চ ১৮, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় ঝাঁকুনি! একসঙ্গে ১১ জেলাশাসক বদলি, চাঞ্চল্য

ভোটের মুখে বড় সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের একাধিক জেলার জেলাশাসক এবং জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের একযোগে বদলি করা হয়েছে। বুধবার সকালে প্রথমে কয়েকজন পুলিশ আধিকারিককে বদলি করা হয়। তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ১১টি জেলার জেলাশাসক বদলের নির্দেশ জারি করে কমিশন।যে জেলাগুলিতে এই বদল করা হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর, মালদহ, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, পূর্ব বর্ধমান, উত্তর ২৪ পরগণা, দক্ষিণ ২৪ পরগণা, দার্জিলিং এবং আলিপুরদুয়ার। এই সব জেলার জেলাশাসকেরা একই সঙ্গে জেলা নির্বাচনী আধিকারিক হিসেবেও কাজ করছিলেন।কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী নতুন করে বিভিন্ন জেলায় নতুন জেলাশাসক নিয়োগ করা হয়েছে। একই সঙ্গে কলকাতা পুরসভার কমিশনার এবং দক্ষিণ কলকাতার জেলা নির্বাচনী আধিকারিককেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁদের জায়গায় নতুন আধিকারিকদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, এই নির্দেশ অবিলম্বে কার্যকর করতে হবে। নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের দ্রুত কাজে যোগ দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি যাঁদের সরানো হয়েছে, তাঁদের ভোট সংক্রান্ত কোনও কাজে যুক্ত না থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যতদিন না নির্বাচন প্রক্রিয়া শেষ হচ্ছে।এই বড় রদবদলের মধ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকও ডাকা হয়েছে। সেখানে শীর্ষ পুলিশ ও প্রশাসনিক আধিকারিকদের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।ভোটের আগে হঠাৎ এত বড় প্রশাসনিক পরিবর্তনে রাজনৈতিক মহলে জোর চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের প্রভাব নির্বাচনে কতটা পড়বে, তা নিয়ে এখন জোর আলোচনা চলছে।

মার্চ ১৮, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় চাঞ্চল্য! বীরভূমে ট্রাক্টর ভরা বিস্ফোরক উদ্ধার

ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পরেই রাজ্যে বাড়ছে উত্তেজনা। এর মধ্যেই বীরভূমে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক উদ্ধার হওয়ায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। নলহাটি থানার কাদাসির গ্রামে গ্রামবাসীরাই একটি সন্দেহজনক ট্রাক্টর আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেন।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই ট্রাক্টর থেকে প্রায় দশ হাজার জিলেটিন স্টিক এবং তিনশো ষাটটি ডিটোনেটর উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এই ঘটনায় এখনও কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, মঙ্গলবার রাতে গ্রামের রাস্তা দিয়ে একটি ট্রাক্টর যাচ্ছিল। সেটি দেখে তাঁদের সন্দেহ হয়। এরপর তাঁরা ট্রাক্টরটি আটকালে চালক পালিয়ে যায়। পরে দেখা যায়, ট্রাক্টরটি বিস্ফোরকে ভর্তি।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে নলহাটি থানার পুলিশ ট্রাক্টর এবং বিস্ফোরক বাজেয়াপ্ত করে। কে বা কারা এই বিস্ফোরক কোথায় নিয়ে যাচ্ছিল, তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।ভোটের আগে এই ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হোক এবং এর পিছনে কারা রয়েছে, তা দ্রুত সামনে আনা হোক।

মার্চ ১৮, ২০২৬
রাজ্য

কল্যাণের পর এবার ছেলে! উত্তরপাড়ায় ভোটের লড়াইয়ে মীনাক্ষীর বিপরীতে কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছেলে

বাবা একজন নামজাদা আইনজীবী এবং অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ। দীর্ঘদিন তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে রাজনীতির ময়দানে লড়াই করে আসছেন। এবার সেই পথেই পা রাখলেন তাঁর ছেলে শীর্ষণ্য বন্দ্যোপাধ্যায়। উত্তরপাড়া বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূলের প্রার্থী হিসেবে তাঁকেই বেছে নেওয়া হয়েছে।শীর্ষণ্য পেশায় একজন আইনজীবী। তিনি সরকারের পক্ষে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মামলা লড়েছেন। বিভিন্ন বড় আইনি লড়াইয়ে তিনি অংশ নিয়েছেন। কলেজে নির্বাচন বন্ধ হওয়া নিয়ে হওয়া মামলাতেও তিনি আদালতে লড়েছিলেন। এছাড়াও একশো দিনের কাজ এবং নিয়োগ সংক্রান্ত মামলাতেও তিনি সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছেন।এবার সেই আইনজীবীই সরাসরি রাজনীতির ময়দানে নেমেছেন। উত্তরপাড়ায় তাঁর প্রতিপক্ষ সিপিএমের মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়। ফলে এই কেন্দ্রের লড়াই এবার বেশ জমজমাট হতে চলেছে বলেই মনে করা হচ্ছে।শীর্ষণ্য জানিয়েছেন, রাজনীতির সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নতুন নয়। বহু বছর আগে থেকেই তিনি ছাত্র রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং তৃণমূলের হয়ে কাজ করেছেন। তিনি বলেন, ছাত্রজীবনে তিনি কলেজে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলেছেন এবং সেই সময় থেকেই রাজনীতির অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন।তিনি আরও বলেন, ২০১১ সালের পর রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর তাঁর লড়াই মূলত আদালতকেন্দ্রিক হয়ে যায়। তবে এবার সরাসরি ভোটের ময়দানে নামতে পেরে তিনি নিজেকে ভাগ্যবান মনে করছেন।শীর্ষণ্য জানান, তাঁকে এই সুযোগ দেওয়ার জন্য তিনি দলের নেতৃত্বের কাছে কৃতজ্ঞ। এর আগে তিনি দলের অন্য প্রার্থীর হয়ে ভোট চেয়েছেন, কিন্তু এবার প্রথমবার নিজের জন্য মানুষের কাছে সমর্থন চাইবেন। উত্তরপাড়ার মানুষের আশীর্বাদই তাঁর সবচেয়ে বড় শক্তি বলেও তিনি জানিয়েছেন।

মার্চ ১৮, ২০২৬
রাজ্য

শুক্রবার না শনিবার? অবশেষে সাপ্লিমেন্টারি তালিকা নিয়ে বড় আপডেট

ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হয়ে গিয়েছে এবং রাজনৈতিক দলগুলি জোরকদমে প্রচারে নেমে পড়েছে। কিন্তু রাজ্যের প্রায় ষাট লক্ষ ভোটার এখনও জানেন না, তাঁরা এবারের নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন কি না। তাঁদের নাম এখনও বিবেচনাধীন তালিকায় ঝুলে রয়েছে।নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, গত আটাশ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়। সেই তালিকায় প্রায় ষাট লক্ষ ভোটারের নাম বিবেচনাধীন অবস্থায় রাখা হয়েছে। এরপর দুই সপ্তাহের বেশি সময় কেটে গিয়েছে। এই সময়ের মধ্যে বিচার বিভাগীয় আধিকারিকরা সেই সব নাম খতিয়ে দেখে নিষ্পত্তি করছেন।এখনও পর্যন্ত প্রায় একুশ লক্ষ ভোটারের নামের নিষ্পত্তি হয়েছে বলে জানিয়েছে কমিশন। কমিশনের বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত জানিয়েছেন, এই সপ্তাহের মধ্যেই প্রথম সম্পূরক তালিকা প্রকাশ হতে পারে। তাঁর কথায়, বিচার বিভাগীয় আধিকারিকরা খুব শীঘ্রই নিষ্পত্তি হওয়া নামগুলি কমিশনের হাতে তুলে দেবেন। বর্তমান পরিস্থিতি অনুযায়ী, শুক্রবার বা শনিবার এই তালিকা প্রকাশের সম্ভাবনা রয়েছে।তবে বড় প্রশ্ন রয়ে গিয়েছে বাকি প্রায় উনচল্লিশ লক্ষ ভোটারকে নিয়ে। ভোটের আগে এত অল্প সময়ের মধ্যে তাঁদের নামের নিষ্পত্তি করা সম্ভব কি না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। কারণ রাজ্যে এবার দুই দফায় ভোট হবে তেইশ ও উনত্রিশ এপ্রিল।এছাড়াও যাঁদের নাম বাদ পড়বে, তাঁদের ট্রাইব্যুনালে যাওয়ার সুযোগ থাকবে। কিন্তু সেই প্রক্রিয়া কবে শুরু হবে এবং কবে শেষ হবে, তা নিয়েও স্পষ্ট কিছু জানানো হয়নি।এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেন, বিষয়টির দায় হাইকোর্টের উপর চাপানোর চেষ্টা হচ্ছে। বিচারব্যবস্থার উপর তাঁদের আস্থা থাকলেও কমিশন কীভাবে আদালতের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে, তা স্পষ্ট নয় বলে তিনি অভিযোগ করেন। যাঁদের নাম বাদ যাবে, তাঁরা কবে ট্রাইব্যুনালে আবেদন করবেন এবং সেই প্রক্রিয়ার জন্য কত সময় দেওয়া হবে, সে বিষয়েও কোনও স্পষ্ট উত্তর পাওয়া যাচ্ছে না বলেই দাবি তাঁর।এই নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে উত্তেজনা বাড়ছে। ভোটের আগে এত বড় সংখ্যক ভোটারের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত থাকায় উদ্বেগও বাড়ছে।

মার্চ ১৮, ২০২৬
দেশ

দুই বছরের মেয়েকে নিয়ে ২৩ তলা থেকে ঝাঁপ! গুরগাঁওয়ের ঘটনায় শিউরে উঠছে দেশবাসী

গুরগাঁওয়ে এক হৃদয়বিদারক ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ, এক ব্যক্তি তাঁর দুই বছরের কন্যাকে নিয়ে বহুতলের তেইশ তলা থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। এই ঘটনায় দুজনেরই মৃত্যু হয়েছে।মৃত ব্যক্তির নাম রাহুল। তাঁর বয়স আটত্রিশ বছর। তিনি দিল্লির বাসিন্দা ছিলেন এবং পরিবার নিয়ে গুরগাঁওয়ের একটি আবাসনে ভাড়া থাকতেন। মঙ্গলবার সকালে একটি আবাসনের ভিতরে এই ঘটনা ঘটে।পুলিশ জানিয়েছে, রাহুল তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে একটি ছোট স্কুল চালাতেন, যেখানে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ানো হতো। কিছুদিন ধরে তিনি শারীরিক অসুস্থতা এবং মানসিক চাপের মধ্যে ছিলেন এবং চিকিৎসাও চলছিল।পুলিশের এক আধিকারিক জানান, প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে মানসিক অবসাদ থেকেই তিনি এই চরম পদক্ষেপ নিয়েছেন। যদিও ঘটনার সঠিক কারণ জানতে তদন্ত চলছে।জানা গিয়েছে, তিনি যে টাওয়ারে থাকতেন, সেখান থেকে নয়, অন্য একটি টাওয়ারের তেইশ তলা থেকে ঝাঁপ দেন। ঘটনাস্থল থেকে কোনও সুইসাইড নোট পাওয়া যায়নি।দেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয় এবং পরে পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনার পর এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।স্থানীয় বাসিন্দারা এই ঘটনায় স্তম্ভিত হয়ে পড়েছেন। অনেকেই উচ্চ ভবনে বসবাসকারী পরিবারগুলির মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

মার্চ ১৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal